কারমাইকেল কলেজ-এ দ্বিতীয়বারের মতো গ্র্যান্ড ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ মাঠে আয়োজিত এ ইফতারে প্রায় ৬ হাজার বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বছর প্রথমবারের মতো আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এবার অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ইফতারে অংশগ্রহণের জন্য পূর্বনির্ধারিত নিবন্ধনের মাধ্যমে টোকেন সংগ্রহ বাধ্যতামূলক ছিল।
বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য টোকেন মূল্য ৫০ টাকা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে। বিভাগীয় সিআর ও প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরাসরি এবং অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ ছিল। টোকেন ছাড়া ইফতার সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়নি।
তবে অনুষ্ঠান চলাকালে বেশ কিছু অভিযোগ সামনে আসে। কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, শেষ সময়ে ৫০ টাকার নির্ধারিত টোকেন কিছু বর্তমান শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী টোকেন থাকা সত্ত্বেও ইফতার সামগ্রী পাননি বলে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে সাময়িক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কলেজ প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হাবিবুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, যারা খাবার পাননি তাঁদের বিষয়টি পরবর্তীতে জানানো হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবুল হোসেন মন্ডল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল। এছাড়াও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মোস্তাফিজার রহমান, সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. রেহেনা খাতুন এবং কারমাইকেল কলেজ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রকিবুস সুলতান মানিকসহ শিক্ষক ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
খোলা মাঠে আয়োজন করায় ধূলাবালু এবং খাবারের মান নিয়েও কিছু শিক্ষার্থী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন